সিআইডির ডিআইজি মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন

সিআইডির ডিআইজি মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন
Loading...

সিআইডির ডিআইজি মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁঞা আর নেই। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মরহুমের নামাজে জানাজা বৃহস্পতিবার বাদ জোহর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় বাংলাদেশ পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্যগণ, মরহুমের সহকর্মীবৃন্দ এবং আত্মীয়-স্বজন অংশগ্রহণ করেন।

মরহুমের গ্রামের বাড়ি গাজীপুরে দ্বিতীয় জানাজা শেষে আজ বাদ মাগরিব পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মো. সোহেল রানা স্বাক্ষরিত এক বার্তায় জানানো হয়, মোশাররফ হোসেন ভূঁঞার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন আইজিপি।

উল্লেখ্য, মোশাররফ ১৯৮৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বিসিএস (পুলিশ) সার্ভিসে যোগদান করেন। তিনি দীর্ঘ কর্মজীবনে সাতক্ষীরা, খুলনা ও মানিকগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ডিআইজি হিসেবে তিনি বরিশাল ও সিলেট রেঞ্জ, স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও সিটি এসবিতে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও তার কর্মদক্ষতার উজ্জ্বল স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

তিনি গাজীপুর জেলার সদর উপজেলার বড়দল গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৬০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। সাহিত্যানুরাগী মোশাররফ অর্ধযুগেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ পুলিশের প্রকাশনা ‘ডিটেকটিভ’ পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। বাংলা সাহিত্যে রয়েছে তার অনন্য অবদান। তার প্রকাশিত ৪০টি গ্রন্থের মধ্যে ২৫টি কাব্যগ্রন্থ, ৩টি উপন্যাস, ৯টি শিশুতোষ গ্রন্থ ও ৩টি গবেষণাধর্মী গ্রন্থ রয়েছে।

Loading...