মান্নাকে এক হাত দেখে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

মান্নাকে এক হাত – জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যকার প্রথম দফা সংলাপের পর গণভবনে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের খাওয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে সরকারকে ‘ছোটলোক’ বলেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের একজন নেতা। এবার দ্বিতীয় দফা সংলাপ চলাকালে এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানালেন প্রধানমন্ত্রী। ওই নেতাকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি দেখলাম কেউ কেউ মিডিয়াতে আমাদের ছোটলোক বলেছে। আমরা নাকি খাওয়ার ছবি তুলে প্রচার করি। আসলে আওয়ামী লীগ এবং বঙ্গবন্ধু সম্বন্ধে যাদের নুন্যতম জ্ঞান নেই তাঁরাই এ ধরনের নোংরা কথাবার্তা বলতে পারে। বঙ্গবন্ধু রাজনীতিতে তাঁর চরম বিরোধী মানুষকেও বাড়িতে ডেকে এনে আপ্যায়ন করতেন। আমি দেখেছি, আমরা যখন নিজে খেতাম না তখনও বাসায় কোনো অতিথি আসলে তাঁকে খাওয়ানো হতো। অতিথি যে দলেরই হোক না কেন তাঁকে খাওয়ানোর সংস্কৃতিটা বঙ্গবন্ধু চালু করেছিলেন। আওয়ামী লীগ এবং বঙ্গবন্ধুর পরিবার খাইয়ে প্রচার করার মতো নয়। যারা নতুন নতুন রাজনীতি করছে তাঁরা এই ইতিহাসগুলো জানে না।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন সাহেব জানেন এই ইতিহাসগুলো। তিনি যখন ঐক্যফ্রন্টের নেতা তখন উনার উচিত ছিল, এই বিষয়টি সবাইকে জানানো। আমরা চরম শত্রুকেও খাওয়াই এবং মানুষকে আপ্যায়ন করে আনন্দ পাই। নিজের আনন্দের জন্য আমরা মানুষকে আপ্যায়ন করি। কাজেই যাঁরা এ ধরনের কথাবার্তা বলেছে, তাঁরা মনে হয় আওয়ামী লীগের ইতিহাস, জাতির পিতার ইতিহাস জানে না।’ গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যকার সংলাপ শুরু হয় বেলা সোয়া ১১ টায়। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুপুর ২টার দিকেও সংলাপ চলছিল।
Loading...

মান্নাকে এক হাত – জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যকার প্রথম দফা সংলাপের পর গণভবনে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের খাওয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে সরকারকে ‘ছোটলোক’ বলেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের একজন নেতা। এবার দ্বিতীয় দফা সংলাপ চলাকালে এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানালেন প্রধানমন্ত্রী।

ওই নেতাকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি দেখলাম কেউ কেউ মিডিয়াতে আমাদের ছোটলোক বলেছে। আমরা নাকি খাওয়ার ছবি তুলে প্রচার করি। আসলে আওয়ামী লীগ এবং বঙ্গবন্ধু সম্বন্ধে যাদের নুন্যতম জ্ঞান নেই তাঁরাই এ ধরনের নোংরা কথাবার্তা বলতে পারে। বঙ্গবন্ধু রাজনীতিতে তাঁর চরম বিরোধী মানুষকেও বাড়িতে ডেকে এনে আপ্যায়ন করতেন। আমি দেখেছি, আমরা যখন নিজে খেতাম না তখনও বাসায় কোনো অতিথি আসলে তাঁকে খাওয়ানো হতো। অতিথি যে দলেরই হোক না কেন তাঁকে খাওয়ানোর সংস্কৃতিটা বঙ্গবন্ধু চালু করেছিলেন।

আওয়ামী লীগ এবং বঙ্গবন্ধুর পরিবার খাইয়ে প্রচার করার মতো নয়। যারা নতুন নতুন রাজনীতি করছে তাঁরা এই ইতিহাসগুলো জানে না।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন সাহেব জানেন এই ইতিহাসগুলো। তিনি যখন ঐক্যফ্রন্টের নেতা তখন উনার উচিত ছিল, এই বিষয়টি সবাইকে জানানো। আমরা চরম শত্রুকেও খাওয়াই এবং মানুষকে আপ্যায়ন করে আনন্দ পাই। নিজের আনন্দের জন্য আমরা মানুষকে আপ্যায়ন করি। কাজেই যাঁরা এ ধরনের কথাবার্তা বলেছে, তাঁরা মনে হয় আওয়ামী লীগের ইতিহাস, জাতির পিতার ইতিহাস জানে না।’

গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যকার সংলাপ শুরু হয় বেলা সোয়া ১১ টায়। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুপুর ২টার দিকেও সংলাপ চলছিল।

Loading...