ভূমি দস্যুদের হাত থেকে রক্ষার্থে নিজেদের ইজারাকৃত বসতভিটা মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

ভূমি দস্যুদের হাত থেকে রক্ষার্থে নিজেদের ইজারাকৃত বসতভিটা মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
Loading...

নাজিমুল হক শাকিল মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার শাহ বাজপুর (রাজপুর) এলাকার মৃত মো.আয়ূব আলী ও জমিলা খাতুন ছেলে মো.আব্দুর রহমান (৪৫)সরকারী ভূমিহীন জায়গা ভূমি দস্যুদের হাত থেকে নিজেদের ইজারাকৃত বসভিটা জমির রক্ষার্থে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে। বুধবার (১০) অক্টোবর) দুপুর ২ টায় মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন
করে।মৃত মো.আয়ূব আলী ও জমিলা খাতুন ছেলে মো.আব্দুর রহমান লিখিত বক্তব্যে বলেন,বন্দোবস্তর লিজের আগে থেকে প্রায় হতে ১৫/২০বছর ধরে এই জমি ভোগ দখল করে আসিতেছি।

তখনকার ৪ নং উত্তর শাহ বাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব মো.আব্দুল মজিদ চৌধুরী কতৃক গত ০২/১১/২০০২ ইং সালে এর পরর্বতিতে সাবেক আকবর আলী চেয়ারম্যান গত ২৭/১১/২০০৪ ইং সালে প্রত্যায়নপত্র করেন দেন আমাদেরকে এই জমির ভূমিহীন হিসেবে দেবার জন্য জেলা প্রসাশক ও উপজেলা নিবাহী কমকতার বরাবরে নিকট প্রত্যায়নপত্র করে দেন।

এর আগে সাবেক আকবর আলী চেয়ারম্যান ইউনিয়ন তপশীলদার গত ১৪/১১/২০০২ ইং সালে তদন্ত করে আমার পিতা মাতা আসলেই ভূমিহীন এ মমে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন সহকারী ভূমি কমিশনার উপজেলা এর প্রেরণ করেন।আমার পিতা ও মাতা জেলা প্রশাসক বরাবর ভূমিহীন হিসেবে আবেদন করেন। আমার পিতা মৃত মো.আয়ূব আলী মাতা জমিলা বেগম ২০০৫ইং সালে ডিসির ১ নং খতিয়ানের ভূমিহীন হিসেবে আমার পিতা মাতার নামে তারা ২ জন আবেদন করলে ২৫/০৪/২০০৫ইং সালে বন্দোবস্তর রেজিস্ট্রারী করা হয়।

আজ দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে আমরা বসতভিটা বানিয়ে তা ব্যবহার ও ভোগ করে আসতেছি।যাহার মৌজা পূব দৌলত পুর,জে এল নং ৪৪,খতিয়ান নং৫৩৪,দাগ নং ৫৯১,জমির পরিমাণ এক একর জমি বন্দোবস্তর সূত্রে জমির মালিক হন ৯৯ বছরের জন্য।তার ছেলে নিয়মিত জমির খাজনা পরিশোধ করে আসছে। কিন্ত আমাদের পাশ্ববতী গ্রামের বাসিন্দা,মো.জমির আলী,পিতা মৃত ধনাই মিয়া,তার কোন দখল না থাকার কারনে তাহার ও মিচির আলী পিতা,মৃত ইউসুফ আলী,

সে ৫৬৫ দাগের জমি তার নামে বন্দোবস্ত থাকা সত্বেও ৫৯১ দাগের ১৮ শতক জমি জোর দখল করার কারনে তার সব জমির লিজ জেলা ভূমিহীন কমিটির মাধ্যমে বাতিল করা হয়।জমির দখল করে মো.মন্তাজ আলী পিতা.মৃত রছমান আলী,তার ৮২ শতক জায়গা বিভিন্ন লোকজনের কাছে জায়গার দখল বিক্রয় করার কারনে তাদের লিজ বাতিল করা হয়।পরর্বতীতে সেই ৩ জনের মোট ১৬৪ শতক জমির লিজ বাতিল করে।

আমার পিতা ও মাতাকে এক একর জমি বন্দোবস্ত দেন জেলা প্রশাসক। ওনারা এই জমি লিজ পাবার কারনে মন্তাজ আলীর কাছ থেকে দখল খরিদ করেন আব্দুল খালিক নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তির।আব্দুল খালিদ প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ভূমিহীন সেজে আমার বাবা,মার লিজ কৃত জায়গা দখল করার আবেদন করেন।কিন্তু তার প্রতারণার বিষয়টি উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা এস এম আব্দুল্লা আল মামুন,তপসীলদার মারফত তদন্ত করে তার প্রতারণার বিষয়টি ধরা পড়ার কারনে তার আবেদনটি গত ১১/১১/২০১৫ সালে বাতিল করা হয়।

এর থেকে সে বিভিন্ন ধরনের হয়রানিমূলক ও একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করেন আমার বিরোদ্ধে।কিন্ত আমার দখল কোন অবস্থানে নিতে না পারায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট গ্রাম আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে।ইউপি চেয়ারম্যান গ্রাম শালিশের মাধ্যমে আমার লিজকৃত জায়গার সীমানা নীধারণ করে দেন।এমতস্থায় জমির আলীর উত্তরাধীকারী আব্দুল হান্নানকে দিয়ে তিনি আমার পিতার মাতার লিজকৃত জমি দখল নেবার পায়তারা শুরু করে।

আব্দুল খালিক হাজেরা বেগম ও আব্দুল হান্নাই ২ জনের সাথে দুই লক্ষ টাকার চুক্তির বিনিময়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর আমার লিজকৃত জায়গা দখল দিতে বলে তাদের কে।তারা পরবতীতে দলবন্ধভাবে আমার বাড়িতে এসে বারান্দার গেইটের রাতের আধাঁরে তালা লাগিয়ে আমার মা বোন কে জিম্মি করে।পরবতীতে আমার মা জমিলা খাতুন আমাকে মোবাইলে ফোনে ঘটনা বল্লে আমি আমার চাচাতো ভাই আব্দুল মন্নাকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি বলি সে বাড়িতে এসে দেখে হান্নাই ও হাজেরা বেগমের দলবল আমার বাড়ির কেচি গেইটে তালা লাগিয়ে রাস্তার উপরে একটি ঘর তৈরী করার অপচেষ্টা করছে।

আমার চাচাতো ভাই বাড়ির পিছনের দরজা খোলে তাদের জিম্মি মুক্ত করেন।মুক্ত করার পরে সাবেক মেম্বার হাজেরা কে বাধাঁ দিলে সে পালিয়ে যায়।পালিয়ে যাবার সময় হামলা ও লুটপাট করে চলে গিয়ে হাজেরার নিদের্শে জমির আলীর ছেলে হান্নাই (৪০) আমার মা বোন চাচাতো ভাই ও আমার বোনের জামাই দুজন সহ বড়লেখা থানাতে ০৯ জন কে আসামী করে একটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করে ঐদিনই যাহার মামলার নং ১৭১/১৮।

মো.আব্দুল রহমানের আত্বীয় স্বজন তারা হলেন মা জমিলা খাতুন(৬৫)বাগিনা মো. খালিদুর রহমান (১৭) মো.আব্দুর শুক্কুর (৪৮).চাচা তো ভাই মো.রহিম উদ্দিন(৪৫) আব্দুল মন্নান ,মোচ্ছাাম্মদ আমিনা বেগম ও ছোট বোনের স্বামী মো.আমির হোসেন(৪০),প্রবাসী বড় বোনের স্বামী মো.আব্দুল আহাদ,জালাল উদ্দিন এবং আরোও দুজন অজ্ঞাত।এছাড়াও হাজেরা বেগম ও আব্দুল খালিক আব্দুল রহমান কে বিভিন্ন মিথ্য হয়রানিমূলক দায়ের করেছে বহুবার।

আমি কমস্থলে থাকার কারনে আমার চাচাতো ভাই কে বলি থানাতে একটি মামলা করতে।কিন্ত হাজেরা বেগম তার আগেই আমার পরিবারের পরিজনের উপরে মামলা দায়ে করে।এতে আমার ভাই থানাতে গেলে তাকে পুলিশ আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করে এর পরে আমি বাড়িতে আসিলে ঘটনার বিবরণ শুনিলে আমি বাদী হয়ে গত ১৬ সেপ্টেম্বর বড়লেখা থানাতে হাজেরা বেগম ও আব্দুল হান্নাই গং আসামী করে একটি মামলা দায়ের করি।মামলা নং ১৭৩/১৮।

আমার মামলার পরিপ্রেক্ষিতে হাজেরা বেগম মৌলভীবাজার কোর্টে গত ১৮/০৯/১৮ ইং ১টি নারী শিশু নির্যাতন ইনজুড়ি মামলা দায়ের করে আমার মামাতো ভাই জুয়েল আহম্মদ(৩৬)।যাহার মামলার নং৩৩৬/১৮।তিনি আরোও বলেন,বড়লেখার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই জাহাঙ্গীর অসুস্থ্যতার জন্য ঢাকাতে চিকিৎসাধীন আছেন।যার কারনে আমি হাজেরা বেগম ও তার সংবন্ধ চক্রের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতার মাঝে বর্তমানে আছি।

আমি আপনাদের মাধ্যমে আমাদের লিজকৃত এক একর জমির ভবিষ্যত নিরাপত্তার চেয়ে জন্য আপনাদের মাধ্যমে প্রসাশনের সুদৃষ্টি কামনা করছি। এ ব্যাপারে মামলার বাদী মন্নাই এর খালাতো বোন সাবেক ইউপি সদস্যা হাজেরা বেগম এ প্রতিবেদকে বলেন,আব্দুর রহমানের এক একর জমির উপরে আমার কোন হক বা দাবী নাই।আমি ৮২ শতক জায়গার উপরে মামলা করেছি,

এ জমি আমার ও জমির দলিল আছে।আমরা ৮২ শতক জায়গার উপরে মাপ দিতে গেলে ওনি রাজি হন না,এতে বাধাঁ প্রদান করেন। আব্দুর রহমানের বাড়ির কেচি গেইটে তালা মারার ব্যাপারে অস্বীকার করেন।হাজেরা বেগম জুয়েল আহম্মদকে আসামী করে নারী শিশু নিযার্তনের মামলা দায়ের করেন। খালা বোন হাজেরা বেগম

Loading...