বাউফল উপজেলায় মিথ্যা বিয়ের নাটক সাজিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ

বাউফল উপজেলায় মিথ্যা বিয়ের নাটক সাজিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ
Loading...

ধর্ষণ একটি আতংকের নাম বর্মমান সমাজে। সারাদেশে ধর্ষনের ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।ধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না নিজের মেয়েও।ধর্ষণকে অপরাধই মনে হচ্ছে না লম্পটদের কাছে । লম্পটদের লালসার শিকার হচ্ছে দেশের হাজারো নারীও শিশু ।এবার ধর্ষনের শিকার হলেন   এক তরুণী। জানা গেছে

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় মিথ্যা বিয়ের নাটক সাজিয়ে এক তরুণীকে (২২) ছাত্রলীগ কর্মী ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।এ ঘটনায় রবিবার ওই তরুণী বাদী হয়ে বাউফল থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা করলে পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করে।ওই ছাত্রলীগ কর্মীর নাম মোঃ রনি (৩২)। তিনি উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের রামলক্ষন গ্রামের বাসিন্দা। সে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রনি ওই তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর কিছু দিন পরে বিয়ে করার কথা বলে ওই তরুণীর কাছ থেকে জন্ম নিবন্ধন কার্ড নিয়ে যান। পরে একদিন তাকে (তরুণী) রনি জানায় জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়ে গেছে।

এমনকি তরুণীকে কাজীর সঙ্গেও মুঠোফোনে কথা বলিয়ে দেয় রনি। এরপর তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। তখন তরুণী রনিকে তাদের বাড়ি নিয়ে যেতে বলেন। এতে অস্বীকৃতি জানায় রনি এবং পেটের বাচ্চা নষ্ট করার পরামর্শ দেয়। একপর্য়ায়ে ওই তরুণী জানতে পারেন তাদের বিয়ে ছিল সাজানো নাটক। পরে বিষয়টি রনির পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়। তারাও এড়িয়ে যান এবং তাকে বারাবারি না করার জন্য হুমকি দেন। বর্তমানে ওই তরুণী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

এ ঘটনার ব্যাপারে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান আসামিসহ বাকি দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে । আসা করছি তাদের অতিদ্রুত আটক করতে পারবো।অপরাধী যেই হোক না কেন বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না ।

Loading...