তুলা চাষে অপার সম্ভাবনা

তুলা চাষে অপার সম্ভাবনা
Loading...

তুলা বাংলাদেশের একটি অর্থকারী ফসল। বিশেষ করে দেশের টেক্সটাইল শিল্পে তুলার চাহিদা অনেক। কিন্তু বাংলাদেশে উৎপাদিত তুলা এ চাহিদার মাত্র তিন শতাংশই পূরণ করে। বাকি ৯৭ শতাংশ তুলা বাইরে থেকে রফতানি করতে হয়। যার ৪৬ শতাংশ আসে ভারত থেকে।

কিন্তু তুলা চাষের সময়কাল (জুলাই- ডিসেম্বর) বেশি হওয়ায় কৃষকরা তুলা চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন। তাই তুলার চাষের সময়কাল কমানো এবং তুলার উৎপাদন বৃদ্ধিতে নতুন প্রজাতি নিয়ে গবেষণা করছে বাংলাদেশ তুলা উন্নয়ন বোর্ড। এতে কৃষকের জন্য তুলা চাষে অপেক্ষা করছে অপার সম্ভাবনা।

বুধবার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি অনুষদের সম্মেলন কক্ষে ‘জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশে তুলা চাষে টেকসই উন্নয়ন’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক ড. মো. ফরিদ উদ্দিন।

southeast

ড. মো. ফরিদ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আলী আকবর, বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর ময়মনসিংহ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক ড. এম এ এম ইয়াহিয়া খন্দকার এবং কৃষি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস মন্ডল।

এছাড়া বাকৃবি কৃষি অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সিনিয়র সায়েন্টিফিক কর্মকর্তা ড. কামরুল ইসলাম এবং মুখ্য আলোচক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাশেম।

Loading...