ঘূর্নিঝড় তিতলির প্রভাব মির্জাগঞ্জে রানীপুর এলাকায় বেঁড়িবাঁধ না থাকায় জোয়ারের পানিতে ৮ গ্রাম প্লাবিত

ঘূর্নিঝড় তিতলির প্রভাব মির্জাগঞ্জে রানীপুর এলাকায় বেঁড়িবাঁধ না থাকায় জোয়ারের পানিতে ৮ গ্রাম প্লাবিত
Loading...

মোঃ কামরুজ্জামান বাধঁন, মির্জাগঞ্জ(পটুয়াখালী)
ঘূর্নিঝড় তিতলি’র প্রভাবে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার পায়রা নদীর ৪১/৭ নং পোল্ডারের রানীপুর গ্রামের বেড়িঁবাধঁ না থাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করে ৮ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের রানিপুর গ্রামের মুনসুর আলী সিকদার বাড়ির উত্তর পাশ থেকে মজিদ চৌকিদার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ফুট বেড়িঁবাধঁ না থাকায় প্রায় দু’মাস ধরে প্রতিদিন অমাবশ্যার জোয়ারের পানিতে গ্রামগুলোপানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

গ্রামগুলো হচ্ছে- রানীপুর, হাজিখালী, মেন্দিয়াবাদ, চরখালী, দেউলী,চত্রা ও চন্দ্রকান্দা। দারুন ভোগান্তীতে পড়েছে ওইএলাকার কৃষকসহ জন সাধারনরা। জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ায় ওই এলাকার তিন শাতধিক পরিবার গতকাল বৃহস্পতিবার উনুনে হাড়ি বসাতে পারেনি বলে জানান স্থানীয় ইউপি সদস্য। রানীপুর গ্রামের মোঃ সানু মিয়া বলেন,ভাঙ্গা বাধঁ দিয়ে প্রতিদিন দু’বার করে জোয়ারে পানিতে প্লাবিত হচ্ছে কয়েকটি গ্রাম।

ঘূর্নিঝড় তিতলি’র প্রভাবে পায়রা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রানীপুর গ্রামটি পানিতে তলিয়ে গেছে এবং সকাল থেকে একটানা বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ায় এ এলাকার মানুষজন কেউ ঘর থেকে বের হতে পারেনি। বাধঁ নির্মান করা হলে কোমলমতি শিশুদের মেন্দিয়াবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে পারে সে লক্ষে উর্ধ্বতন কৃর্তপক্ষের দৃষ্টি আকার্ষন করেন। রানিপুর এলাকার ইউপিসদস্য মোঃ খলিলুর রহমান বলেন,তিনমাস আগে এখান থেকে বাধঁ ভেঙ্গে গেলে পানি উন্নয়ন বোর্ড বাধঁ
মেরামত করেতে আসলেও জমি নির্ধারন নিয়ে জটিলতা দেখা দেওয়ায় কারনে বাধঁ নির্মান করা হয়নি।

তাই জোয়ারের পানি প্রবেশ করেতে করতে বাধেঁর ভাঙ্গন পাঁচ’শো ফুট থেকে এক হাজার ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিন জোয়ারের পানি প্রবেশ করায়দুইটি সরকারি স্কুলের পড়াশুনা এখন বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে। গতবারেও একই স্থানে বাধঁ ভেঙ্গে গেলে মাটির বস্তা দিয়ে ভাঙ্গন প্রতিরোধ করা হয়েছে।কিন্তু এবারে ভাঙ্গনের তীব্রতা আরো বেশী।

ভাঙ্গা বাধঁ দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় এ এলাকার আমনের বীজতলা ডুবে থাকায় অনেক বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধ করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকার্ষন করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তৌছিফ আহমদ ইসলাম বলেন, রানীপুর ও মেন্দিয়াবাদ ভাঙ্গা বাধঁ সংস্কারের ব্যাপারে খোজঁ-খবর নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ কওে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Loading...