এফআর টাওয়ার নির্মাণে দুর্নীতি: রূপায়ণের মুকুলসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ২ মামলা

এফআর টাওয়ার নির্মাণে দুর্নীতি: রূপায়ণের মুকুলসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ২ মামলা

বনানীর এফ আর টাওয়ার (ফারুক-রূপায়ণ টাওয়ার) নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগে দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলা দু’টি দায়ের করা হয়। মামলা নম্বর ২ ও ৩।

দু’টি মামলারই বাদী প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত উপপরিচালক মো. আবুবকর সিদ্দিক। রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুলসহ ২৩ জনকে মামলার আসামি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ দুপুরে বনানীর এফ আর টাওয়ারে আগুন লাগে। এতে ২৬ জন মারা যান।

দুদক বলছে, এফ আর টাওয়ারের ১৫ তলা থেকে ২৩ তলা  পর্যন্ত অনিয়মের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। শুরুতে ১৫ তলা ভবনের নকশা অনুমোদনেও মানা হয়নি নীতিমালা। ভবনটির দু’টি নকশা হাতে পেয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। একটি নকশায় ১৮ তলা ও অন্যটিতে ২৩ তলা দেখানো হয়েছে।

একটি মামলায় পাঁচ জনকে এবং আরেকটি মামলায় ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মুকুল ও ফারুক দু’টি মামলারই আসামি। মামলা দায়েরের পর এ বিষয়ে কথা বলেন দুদকের ভারপ্রাপ্ত সচিব সারোয়ার মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘তদন্তের প্রয়োজনে আসামিদের গ্রেফতার করা হতে পারে।’

ভারপ্রাপ্ত সচিব জানান, রাজউক ও গণপূর্তের কাছে রাজধানীর ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিয়মের মাধ্যমে গড়ে ওঠা ভবনের তালিকা চাওয়া হয়েছে। তালিকা পাওয়ার পর খতিয়ে দেখা হবে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন

কাসেম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর উল ইসলাম, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন খাদেম ও কে এ এম হারুন, রাজউকের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমান, সাবেক অথরাইজড অফিসার-২ সৈয়দ মকবুল আহম্মেদ, সৈয়দ নাজমুল হুদা, সামছুর রহমান, সাবেক প্রধান ইমরাত পরিদর্শক মাহবুব হোসেন সরকার, সাবেক ইমারত পরিদর্শক আওরঙ্গজেব সিদ্দিকী, নজরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (এস্টেট) রেজাউল করিম তরফদার ও আ ই ম গোলাম কিবরিয়া, সাবেক পরিচালক (এস্টেট) শামসুল আলম ও আব্দুল্লা আল বাকী, সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট) মুহাম্মদ শওকত আলী, সাবেক সহকারী পরিচালক শাহ মো. সামসুল আলম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক (এস্টেট) জাহানারা বেগম ও মোফাজ্জেল হোসেন, সাবেক পরিদর্শক মেহেদউজ্জামান, নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক মুহাম্মদ মজিবুর রহমান মোল্লা ও অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. এনামুল হক।

Comments

comments